নেত্রকোনা-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণার পর কেন্দ্রভিত্তিক পোলিং এজেন্টদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর তুলনায় ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটে এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাবো।’ তিনি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ফল ঘোষণার পর মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে দলীয় সমর্থকদের।
তবে চূড়ান্ত ফলাফল পেতে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখলেসুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ (সিপিবি) মনোনীত জলি তালুকদার এবং বাংলাদেশ রেভল্যুশনারি ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী চম্পা রানী সরকার।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণার পর কেন্দ্রভিত্তিক পোলিং এজেন্টদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর তুলনায় ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটে এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘এই বিজয় জনগণের বিজয়। এলাকার উন্নয়ন, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাবো।’ তিনি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় ভোটার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ফল ঘোষণার পর মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে দলীয় সমর্থকদের।
তবে চূড়ান্ত ফলাফল পেতে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখলেসুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ (সিপিবি) মনোনীত জলি তালুকদার এবং বাংলাদেশ রেভল্যুশনারি ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী চম্পা রানী সরকার।
অনলাইন ডেস্ক